মায়ের দেয়া জন্ম আর তোমার বিশ্বাস
- At September 15, 2011
- By G. M. Shaharia Azam
- In Be Inspired, Diary, Journal, Personal
0
সুন্দর ছিলে তুমি। অনেক সুন্দর। খাওয়ার পর যখন তোমার ঠোট লাল হতো তখন পুরোনো দিনের দাদিমাদের মতো পানের রঙে রাঙানো ঠোটের মতো মনে হতো, আর এখনকার ভাষায় সে রাঙা ঠোট আবেদনময়ী ছিল ঠিকই, ভূলে থাকাটা অনেক কঠিন করে দিয়েছ তুমি। তোমাকে ভাবিনা আমি এটা কি তুমি ভাবো? পারো তুমি.. কিভাবে? কিভাবে পারো তুমি?বুঝলাম তুমি ভূলে গিয়ে নিজেকে বদলাতে চাইছ। কি? ঠিক বলেছিনা? কিন্তু ভূলে যেয়ে তুমি অনেক ভালো থাকলেও সেদিন তোমার কথামতোইতো আমিও শপথ করেছিলাম তোমার পাশে আমি থাকবো আজীবন। কি? ভূলে গেছ সেদিনের কথা? নতুন জীবনের সন্ধানের জন্য পুরোনো জীবনকে ভূলে যেতে হবে এটা কোন ধরনের দর্শন তোমার? তোমার দর্শনের শিক্ষা তোমাকে শুধু নিরপরাধ সেজে জীবন গড়ার শিক্ষা দিয়েছে, দায়বদ্ধতাকে সাথে নিয়ে জীবন চালাতে তোমার দর্শনই ধর্ষিত হয়েছে হাজারো স্মৃতির কাতারে। তুমি তাও বোঝোনি.. তাইনা? যাক, তোমাকে আর কি বলবো? আমি আমার মায়ের দেয়া আমার জন্মকে যেমন আমি আর ফিরিয়ে দিতে পারবোনা, সুতরাং তোমার কাছ থেকে স্মৃতিগুলো ফেরত চাওয়া আমার জন্য নিতান্তই বোকামী।
ভালবাসার জন্ম যেখানে তুমিই শেখালে, তুমিও শেখালে কিভাবে সবকিছু শেষ করে দিয়ে, সবকিছু ভুলে গিয়ে জীবন বদলাতে হয়। কিন্তু আমি বাবা অনেক আগে থেকেই পড়াশোনায় ভালো ছিলামনা তাই তোমার এই শিক্ষাটা শিখতে পারিনাই। নিজেকে জয়ী ভেবে সবকিছু যদি সমীকরণের জালে ফেলে দিতে চাও তাহলেও আমার আর কিছু বলার নেই কারণ গণিতে আমি বরাবরই কাচা। তা না হলে হিসাব বুঝে নিতে পারতাম। সীমানার ওপারে যখন সব স্মৃতিকে রেখে দিয়েছ তাহলে ফেলে দাওনা আমার স্পর্শ, কেটে ফেলে দাও আমার স্পর্শিত শরীর। ভালো লাগেনা। তুমিই শেখাও তুমিই শুধরাও। তোমার গন্ডিতে আমি এখনো নিজেকে আটকে রেখেছি, শেষ বিন্দু পর্যন্ত তাই-ই হবে। কিন্তু কেন? জানি বৃহৎ সুখের পিছনে চলা তোমার একটা মোহ। আমার দেয়া অতি নগন্য ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সুখে ?তা? দিয়ে দেখেছিলে? এটাও বংশ বিস্তার করে বৃহৎ সুখ দিতে পারতো হয়তবা। মরচে ধরা ঘুনে পাতায় তেল দিয়ে সেটার স্বাদ বৃদ্ধি করাটা হয়ত তোমার দর্শনের শিক্ষা, কিন্তু আমার দর্শন অনেক নমনীয়। আমার দর্শন মাথা নোয়াতে শিক্ষা দিয়েছে। স্মৃতিরা সব বিস্মৃতিতে রয়ে গেছে তাইনা? কিন্তু আমি ঠিকই পুজো করে চলেছি। বিশ্বাস আমার অনড়, সাহস আমার সাথেই থাকে, স্বপ্ন নিয়মিত জন্ম হয়, গতি ক্রমে বেড়েই চলেছে, দিগ্বিদিক চিনেছি অনেক। পালাবে কোথায়? আমার বিশ্বাস তোমাকে বেধে রাখার জন্যই যথেষ্ট। মানবীক ভালবাসার প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে। কাচের ভেতর দিয়ে, প্রাসাদে বাস করে বাইরের উলঙ্গ পৃথিবীকে দেখার চেষ্টা বৃথা-ই বটে। দেরী হয়নি এখনো.. সময় বাকী আছে? স্পন্দন ঠিকই আছে? বিশ্বাসের মূল্য তোমার দর্শনকে ঠিক করবেই একদিন।
কান্না আসে, চোখে জল আসে, অশ্রুসিক্ত চোখে এখনো বিছানায় যাই, ভাবতে ভাবতে এখনো ঘুমিয়ে পড়ি সুন্দর সকালের অপেক্ষায়। কিন্তু কি জানো? আমার সকাল সবসময়ই বিসাদের নিলীমার মতো আমার সাথে খেলা করে। সবটুকু তুমিই দিয়েছ আমি এটাও বিশ্বাস করি, আমি কৃতজ্ঞ, চির কৃতজ্ঞ। আমি বিনয়ী আমার বিশ্বাসের প্রতি, কারণ আমার বিশ্বাস-তো তোমারই কোন ভূল প্রবাদ ছিল।
অনুভূতির অন্তরালে তোমাকে লুকিয়ে রেখেছি
- At June 18, 2011
- By G. M. Shaharia Azam
- In Blog, Diary, Journal, Love Diary, Personal
0
মনে পড়ে শৈশব, সেই পুকুরে এমন বৃষ্টির দিনে ঝাপ দিয়ে সাতার কাটা। কর্দমাক্ত পায়ে হেটে হেটে বহুদূর ছুটে যাওয়া। এমন দিনে শুধু এসবই মনে পড়ছে আমার। অবিরাম ব্যস্ততা, ভাবনা-চিন্তার মাঝেও আমি অনুভব করছি এমন একটা মায়াবী আবহাওয়া।জীবনের কত কালবেলা পেরিয়ে এসেছি যৌবনে। অফুরন্ত আবেগ, নিবিড় মলিনতা, মৌন মুখরতা, নিস্তব্দ কোলাহল সব ছাড়িয়ে আমি অনুভব করি সেই কোমল স্পর্শ, মায়ের বুলি। শুধুই অনুভব করি মায়ের সেই গালভরা ডাক। কিন্তু জানি আমি সেটাও পাবোনা। সেই মা’ আমার আজ আমাকে ডাকতে পারেনা। শুধুই নির্বাক তাকিয়ে থাকে।
আজকের এই শীতল আবহাওয়ায় মনে পড়ে আমার সাহিত্য নিয়ে কত পারদর্শীতা। ঝিরি ঝিরি বৃষ্টিতে বসে থাকা, গুন গুন করে গান গাওয়া। আমি জানি, সব আছে, সব থাকবে কিন্তু সেইদিন আর আজকের মধ্যে অনেক বড় ব্যবধান। এখন আর ছেলেমানুষী করতে পারিনা। কেউ আমার কাছে জবাবদিহিতা চায়না। এমনকি কেউ জানেওনা যে, আমি কি করছি, কোথায় যাচ্ছি। এই অবাধ স্বাধীনতা আমাকে একাকীত্বকে ভাবতে শেখায়। আসলেই কি একা আমি? আজকের এই রোমাঞ্চকর অনুভূতি শুধু আমার? আমি মানতে পারিনা, ভাবতেও পারিনা, বলতেও পারিনা। যখন শরীর আমার রিমঝিম বৃষ্টিতে ভিজে যায়, অনুভব করি অনমনীয় কোন দূত আমাকে ছুয়ে দিচ্ছে, বার্তা শোনায় শান্তির, পরশ বুলায় আমার শরীরে। ভাবিনা, ভাবতেও পারছিনা। বেশি ভাবিনা কারণ, আমাকে নির্মমতর সর্বোচ্চ আইনে আমাকে দন্ডীত করা হয়েছে। বোঝা বয়ে বেড়াবো হয়ত আজীবন।
বৃষ্টির এই সন্ধ্যায় সবার ‘সুন্দর জীবন’ কামনা করি। ভালো থেকো, দোয়া করো। আমার অনুভূতিগুলো যেন বেচে থাকে আমার ডায়েরীর পাতায়।
Sometimes feel ‘I am a constant victim’
- At November 30, 2010
- By G. M. Shaharia Azam
- In Blog, Diary, Personal
0
When I try to regain myself and try to back to my way then some environment help me to feel like ‘I am a constant victim’. But it’s not true.
I lead a very simple life and my thoughts, emotions are as like as a real baby. Pure feelings, honesty making me a good boy. But sometimes some people make me crazy, make me tensed. Automatically some sad come to my mind. But always I am afraid of sadness, tension. But it comes naturally and regularly to my life. And then I start to think me as a ‘Constant Victim’. This victimization is making some obstacle to redraw my own way to think about myself positively.
Whatever, no problem. I am continuing to lead my life whether it is good or bad. But still alive with a tons of hope, humanity, honesty and love.
Flow of Blood in Heaven
- At October 5, 2010
- By G. M. Shaharia Azam
- In Be Inspired, General, Personal
0
There are some little matter. Going to be covered under shadow. But don’t know why it is coming more slightly. Don’t want to be change. Don’t see even never see this. It’s just a flow of blood in heaven. Hundreds of dream even million of dreams are going to be freaky. And I think I am the last one who are seeing this flow of blood.
This was just written in my eyes and don’t want to make change. Just think some small drop of flow of blood but it is in the heaven. After passing a lonely and a strange night I meet some air of earth who is breathing itself from the flow of blood. Just tried to keep me behind the blood. But at last I can’t imagine what is going on. But I can’t. Really can’t touch the heart of heaven where are full of some flows of bloods.
The scene behind the sea is just like a storm which has no sounds of air, no covering with sky.. just a little bit freaky. Uffffff this is the real truth of the world where has no heaven where has no human even not the creator because I don’t think so that it’s not the world of mine and I am going to be a ghost like the star. Because some star works for whole the day but nobody can see it. But it does it’s duty.
I am almost in the finishing line where just 1 inch left behind from the no-man’s lands of my new world of something. So I have to enter the world where there is no stranger to take me out…
Bye for today. I will come back again and I will try to speak again. Because I am alive. Don’t try to like this.
Thanks,
Shaharia Azam
05 October’2010 (05:30 AM)
[A strange night I am feeling with some strange GOD]